রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ১:১১
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

বক্তা রফিকুল আরও ৭ দিনের রিমান্ডে

ডেস্ক রিপোর্ট  রাজধানীর মতিঝিল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় আলোচিত ধর্মীয় বক্তা রফিকুল ইসলামের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মোহাম্মদ নোমানের ভার্চুয়াল আদালতে তার দশ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। এ সময় রফিকুল ইসলাম কারাগারে ছিলেন। তাকে ভার্চুয়ালি আদালতে উপস্থিত দেখানো হয়। এরপর আদালত এ মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। পরে তার ১০ দিনের রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষ বিচারক সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে ১৫ এপ্রিল রফিকুল ইসলামের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন গাজীপুরের আদালত। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে র‌্যাবের করা মামলায় তার সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে গাজীপুর আদালতে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এছাড়া বুধবার সকালে বিস্ফোরক মামলায় শিশুবক্তা রফিকুল ইসলামের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ময়মনসিংহের অতিরিক্ত চিপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আব্দুল হাই।

বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মোহাম্মদ নোমানের ভার্চুয়াল আদালত শুনানি শেষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে রাজধানীতে বাংলাদেশ ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের মিছিল থেকে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় করা মামলায় রফিকুল ইসলামের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

গত ২৫ মার্চ মোদিবিরোধী মিছিলে সংঘর্ষের ঘটনার সময় পুলিশ তাকে আটক করে। এর কিছুক্ষণ পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এরপর গত ৮ এপ্রিল নেত্রকোনার নিজ বাড়ি থেকে আটকের পর গাছা থানায় তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে র‌্যাব। এরপর থেকে তিনি কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে একই আইনে গাজীপুরের বাসন থানায় আরেকটি মামলা হয়েছে।